১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনামঃ
যাদুকাটা নদীতে অবৈধ ড্রেজার ডিসি-ইউএনওর বিরুদ্ধে বালু সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির ‘শিখা’ প্রকল্পের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ নাঃগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ও.পি.এ–এর স্বেচ্ছাসেবকদের গ্রীন মিশন সাংবাদিকদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এমআরইউ’র মানববন্ধন জনগণের সেবাকে ইবাদত মনে করি, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-০১ এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী পিয়াস অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বিএনপি নেতা শাহজাহান দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের জনগণের উদ্দেশ্যে মো. আরিফুর রহমান পিয়াসের বার্তা রাজধানীতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদের মশাল মিছিল তরুণ মুখ আরিফুর রহমান পিয়াস এনসিপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ আওয়ামী লীগের গুজব-রাজনীতি ও ষড়যন্ত্রের নিন্দা—আমজনতার দল
  • প্রচ্ছদ
  • চাঁদপুর >> লিড
  • মতলব উত্তরে ১ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই ২৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিজাইডিং! ‎
  • মতলব উত্তরে ১ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই ২৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিজাইডিং! ‎

    টুডে পোস্ট ২৪

    মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধিঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের বিষয়টি দেশব্যাপী আলোচনায় উঠে এসেছে। এরইমধ্যে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে ১ জন সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা উপজেলার ২৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব বাগিয়ে নেয়ার ঘটনা। এমনকি আইনকে পাশ কাটিয়ে তিনি উপজেলার ১৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহবায়কের দায়িত্বেও রয়েছেন।

    ‎শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা প্রিজাইডিং হওয়ার শর্ত থাকলেও উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম এ উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্বে থেকে কৌসলে ২৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রিজাইডিং এর ক্ষমতা নিয়ে নেয়ার বিষয়ে পুরো উপজেলায় এখন সমালোচনার ঝড় বইছে। তিনি ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৫ টি স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে আছেন।

    ‎উপজেলার কয়েকটি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নাম প্রকাশ না করা শর্তে তারা ক্ষোভ করে বলেন, এ উপজেলায় প্রথম শ্রেণীর ২০ এর অধিক কর্মকর্তা থাকা সত্বেও অর্থলোভী ও কৌশলবাজ একজন সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার উপজেলার ৪২ টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পরিচালনা করার ক্ষমতার প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষের চোখে আশ্চর্যের হলেও এ অফিসার মূলত এরকমই বলে জানান স্থানীয় বেশরক’জন প্রধান শিক্ষক।

    তারা জানান, বিগত ১৫ বছর তিনি তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সাথে ভাগবাটোয়ারা ও বিশেষ সখ্যতার বদৌলতে এ উপজেলায় কর্মরত ছিলেন এটা আশ্চর্যের, তখন বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির  নির্বাচন উনি একাই করতেন এটাও আশ্চর্যের, স্কুল নির্বাচনে মাঠের অবস্থা ভালো এমন অন্তত দুই প্রার্থীর সাথে কন্ট্রাক্ট করে তাদেরকে হুবহু ব্যালট-ছিল ছাপিয়ে দিয়ে বিশ্বস্ত ভোটারদের মাধ্যমে বাক্সে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে পাশের ব্যবস্থা করেদিতেন এটাও আশ্চর্যের।

    স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচন ও তার দাপ্তরিক কাজে অসংখ্য আশ্চর্যজনক বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে আশ্চর্যের হলেও এ উপজেলার প্রধান শিক্ষকরা মোটেও আশ্চর্যজনক নয়। কারণ, তিনি অসম্ভব ক্ষমতাধর আর তিনি যে কোন অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন সেটা এখানকার প্রধান শিক্ষকরা খুব ভালো করেই জানেন। তাছাড়া, ওনার মতের বাইরে গেলে পরিনতি কি হতে পারে সেটাও প্রধান শিক্ষকদের অজানা নয়।

    ‎ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষকরা অরো অভিযোগ করে বলেন, এই সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল “স্যার” বিগত ১৫ বছর এ উপজেলার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে উনিই থাকতেন প্রিজাইডিং অফিসার। প্রিজাইডিং অফিসারের সম্মানীর নাম করে এবং বিভিন্ন অজুহাতে তিনি প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ থেকে ৪০ হাজারেরও অধিক টাকা হাতিয়ে নিতেন।

    ‎উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে বেশ ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বিগত সময়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির নির্বাচন নিয়ে তার ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপিয়ে প্রার্থীর কাছে বিক্রি সহ তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও উপজেলা বা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করতে সাহস পাননি। কেননা, উনার হাত নাকি অনেক লম্বা।

    ‎এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলার ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, মতলবের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে নিজের পকেট ভারী করতে এই আশরাফুল সাহেবের কোন বিকল্প নেই। উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমার স্কুল থেকে অর্থলোপাটের পাঁয় তারার কারণে আমি ওনাকে এই উপজেল থেকে অন্যত্র বললি করালেও তদবির জোরে খুব দ্রুতই তিনি আবার এ উপজেলায় ফিরে আসেন। এ উপজেলা যেনো ওনার টাকা বানানোর ফ্যাক্টরি।

    ‎কথা হলেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও ২৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল আলম বলেন,  আমি প্রিজাইটিং অফিসার হইতে পারি কি পারি না এবং আমি কোন গ্রেডের অফিসার  কেউ না জানলে আইসা জাইনা যাক। আর এতগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রিজাইডিং এর দায়িত্ব তো আমি নেই নাই, কর্তৃপক্ষ আমাকে দিয়েছে।

    ‎এ বিষয়ে কথা হলে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি জানান, প্রথমদিকে তাকে অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রিজাইডিং এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল কিন্তু পরে আর দেয়া হয়নি।

    আরও পড়ুন

    যাদুকাটা নদীতে অবৈধ ড্রেজার ডিসি-ইউএনওর বিরুদ্ধে বালু সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ
    ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির ‘শিখা’ প্রকল্পের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ
    নাঃগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ও.পি.এ–এর স্বেচ্ছাসেবকদের গ্রীন মিশন
    সাংবাদিকদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এমআরইউ’র মানববন্ধন
    জনগণের সেবাকে ইবাদত মনে করি, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-০১ এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী পিয়াস
    অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে বিএনপি নেতা শাহজাহান দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের জনগণের উদ্দেশ্যে মো. আরিফুর রহমান পিয়াসের বার্তা
    রাজধানীতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গণঅধিকার পরিষদের মশাল মিছিল