টুডে পোস্ট ২৪ ডটকম: রাজধানী ঢাকার বংশালের বাসিন্দা শুভ বসাক। তাঁর পিতা স্বর্গীয় তপন কুমার বসাক এর থেকে সাং- ২২১/২২২, নবাবপুর রোড, থানা- বংশাল, এই সম্পত্তিটি পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পেয়ে দখলভোগ করে আসছেন। উক্ত জমিটুকু শুভ বসাক এর দাদু শ্রী ননী গোপাল বসাক ১৯৫৩ইং সালে ২টি দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। সেই জমিটিতে শুভ বসাক এর তত্ত্বাবধানে কেয়ারটেকার, ভাড়াটিয়া, সামনে ২টি দোকান ও পিছনের খালি জায়গায় বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ডেভেলপারের মাধ্যমে কনষ্ট্রাকশন কাজ শুরু করেন।
ঠিক তখন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলরের ছেলে গৌরব ও ৩৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন গংরা বশাক পরিবারের নিকট থেকে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে বসেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে পরবর্তীতে জমিটি দখলের পায়তারা করেন তাঁরা। কিন্তু তখন বংশাল থানা পুলিশ ও এলাকাবাসীর সহযোগীতার জমিটি ওই যাত্রায় রক্ষা হয়। এই নিয়ে বংশাল থানায় ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর তারিখে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি-২৬) করেন শুভ বসাক।
পরবর্তীতে বেশকিছু দিন চাঁদাবাজদের তেমন কোন প্রকার উৎপাত দেখা যায়নি। কিন্তু গত বছরের ৫ই আগষ্ট বিগত আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওই একই সন্ত্রাসী গং মামুন, সৈকত, আবেদ, সেলিম, খোকা, মনু, আজহারুল হক খান ও আবির ওই বাড়িটির কেয়ারটেকার সাদ্দাম হোসেন ও বাড়ীতে থাকা ২জন ভাড়াটিয়া মো. আব্দুর রশিদ ও রুবেল মিয়া-কে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়, এবং ঘরে থাকা সকল মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। ওই মামুন গং এলাকার চিহ্নিত দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অন্যের ভূমি দখলকারী, মাদক কারবারি হিসেবে বেশ পরিচিত। তারা এখনও শুভ বসাকের জমিটি দখল করে সেখানেই তাদের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
এই বিষয়ে ভুক্তভোগী শুভ বসাক জানান, ‘আমি স্থানীয় ও আইনিভাবে নিজের পৈতৃক জমিটুকু ফিরে পেতে সব ধরনের চেষ্টাই করে যাচ্ছি । সম্প্রতি আমি বিষয়টি নিয়ে ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেছি। কিন্তু কিছুতেই দখলদার সন্ত্রাসীরা আমার জমি ছাড়ছেন না।’ এখন একান্তই সরকার ও রাষ্ট্রের বিচার বিভাগের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন ভুক্তভোগী বসাক পরিবারটি। আশা করছেন শীঘ্রই রাষ্ট্র তাঁর মাথা গুজার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জায়গাটুকু দলখবাজ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত করে তাঁকে বুঝিয়ে দিবেন।


