নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যাদুকাটা নদী থেকে ড্রেজার ও শেইভ মেশিন দিয়ে পরিবেশ বিধ্বংসীভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসক ইলিয়াস মিয়া, ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক ও এসিল্যান্ড শাহরুখ আলম শান্তনুর বিরুদ্ধে।

স্থানীয় একটি বালু খেকো সিন্ডিকেটের সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান—এই তিন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রতিদিন প্রায় ৩০ লাখ টাকা ‘প্যাকেজ’ নেন এবং স্থানীয় প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই চলছে বালু লুটপাট।
এই অবৈধ লুটের ফলে যাদুকাটা নদীর দুই পাড়ের ঘরবাড়ি, সড়ক, ফসলি জমি, ব্যারেজ, শাহ আরেফিন সেতু, পর্যটন স্পট শিমুল বাগান, বারেক টিলা এবং আদর্শ গ্রামসহ বহু এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
রিটকারী খোরশেদ আলম অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে কনটেম্পট মামলা (নং-৫০০/২৫) করলে হাইকোর্ট জেলা প্রশাসককে শোকজ করেন। কিন্তু আদালতের আদেশ অবজ্ঞা করেই বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পরিবেশবাদী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা উপাধ্যক্ষ নুরুজ্জামান হীরা বলেন—শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার প্রেতাত্মারা এখনো প্রশাসনের বড় চেয়ার দখল করে আছে। আদালতের আদেশ অমান্যকারী ডিসি-ইউএনও-এসি-ল্যান্ডকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনা উচিত।
রিটকারী খোরশেদ আলম অভিযোগ করেন, শাহ রুবেল নামে এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ডিসি অফিসে ‘গোপন মিটিং’ হয় এবং ১০০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যমানের বালু-পাথর লুটে কর্মকর্তা ও সিন্ডিকেটের যোগসাজশ রয়েছে।

