স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জে চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী তার রাজনৈতিক সামাজিক ক্যারিয়ার বিনষ্ট করার জন্য হীন ষড়যন্ত্র করছে। তাকে মনোনয়ন থেকে দূরে রাখতে দল ও সমাজের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য লোক ভাড়া করেছে। ৩০ লাখ টাকা চুক্তিতে লোক ভাড়া করে ১৫ লাখ টাকা অগ্রীম দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
মাসুদ আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার করার জন্য বিএনপির ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার যে গ্রুপকে ভাড়া করেছে, সে গ্রুপই তাকে (মাসুদকে) এসব জানিয়েছে। গ্রুপের একজন প্রথমে তাকে জানায় আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এ ব্যাপারে কথা বলতে চাই। পরে ওই গ্রুপকে তিনি তার অফিসে আসতে বলেন। তারা মাসুদের অফিসে এসে জানায় ৩০ লাখ টাকা ভাড়া ১৫ লাখ টাকা অগ্রীম দিয়েছে বলে জানান। মামলার যাবতীয় প্রমাণও তাদের কাছে আছে। মামলার হওয়ার পর ১ হাজার লোক নিয়ে বিএনপির ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার কেন্দ্রে গিয়ে মাসুদের বিরুদ্ধে এসব বলবে যেন তাকে মনোনয়ন দেওয়া না হয় এবং দলের কাছে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে যা যা করার প্রয়োজন করবে বলে তারা তাকে জানান।
মাসুদুজ্জামান বলেন, যত ষড়যন্ত্র বা নোংরা খেলাই খেলুক না কেন আমি বিএনপির রাজনীতি সঙ্গে আছি, থাকব। জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের রাজনীতি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব আমাকে অনুপ্রাণিত করে। তাই আমি এই দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা করি। মানুষের পাশে ছিলাম। বিএনপির দুঃসময়ে বিএনপিসহ নারায়ণগঞ্জবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছি। এ কারণে নারায়ণগঞ্জবাসী আমাকে গ্রহণ করবে। এ ছাড়া দল আমাকে মনোনয়ন না দিলেও দলের পাশে আগেও ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকবো।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু সাউদ মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনু, বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকুসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা।


