৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনামঃ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভ গ্যাসের অনুসন্ধানে ১৫০টি কূপ খনন করবে সরকার ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সবাই আমরা বাংলাদেশি মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা মিছিল মহিলা পরিষদ’র উদ্যোগে না’গঞ্জে “মহুয়া খান কিশোরী স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্র” উদ্বোধন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে ডাকসুর সেমিনার তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় রেকর্ড বাজেট ঘোষণার সাহস পেয়েছি: নাসিক প্রশাসক পদত্যাগের দুদিন পর বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দৌড়ে আলোচনায় বিএনপির পাঁচ নেতা
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয় >> লিড
  • মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
  • মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

    টুডে পোস্ট ২৪

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।

    রোববার (১৮ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ব্যাখ্যা দেন প্রতিমন্ত্রী ।

    ইশরাক হোসেন জানান, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার কাছে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে ধেয়ে আসেন। এ সময় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরপরই অস্ত্রটি যথাস্থানে রাখা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং আত্মরক্ষার স্বার্থেই তা প্রদর্শন করা হয়েছিল।

    মাদক পরিস্থিতি নিয়ে আগের উদ্যোগ

    বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে আসছেন ইশরাক হোসেন।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে এলাকাটি মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। গত জুনে মাদক-সংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন নিরীহ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা করেন।

    মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেওয়া হলেও তা এখনো বাস্তবায়নপ্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

    ইশরাক হোসেন বলেন, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অংশগ্রহণে সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি ওই এলাকায় যান।

    পুলিশের সহায়তায় অভিযান, আটক ছয়:

    বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ও সহায়তায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    এ সময় চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। সেখান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, বেশ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয় বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

    অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জন মাদক কারবারিকে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে সমালোচনা:

    বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও, ফটোকার্ড ও খণ্ডিত শিরোনাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনার কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্য প্রচারের মাধ্যমে সামগ্রিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়নি। এতে তাঁর ভূমিকা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে।

    বিবৃতিতে প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালবেলাসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এসব প্রতিবেদনে অভিযানের সাফল্য, পুলিশের ভূমিকা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার এবং ছয়জনকে আটকের বিষয়গুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ইশরাক হোসেন বলেন, ‘অস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রীর অভিযান’ এমন খণ্ডিত দৃশ্যকে চটকদার শিরোনামে প্রচার করা স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সংবাদের সত্যতা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ তা প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার

    মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করে ইশরাক হোসেন বলেন, মাদকের আস্তানা সম্পূর্ণরূপে উপড়ে ফেলা এবং ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা জনগণের কাছে তাঁর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।

    তিনি বলেন, একটি ঘটনাকে খণ্ডিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচারের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সামাজিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    আরও পড়ুন

    ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভ
    গ্যাসের অনুসন্ধানে ১৫০টি কূপ খনন করবে সরকার
    ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সবাই আমরা বাংলাদেশি
    বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিসানের নেতৃত্বে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা মিছিল
    মহিলা পরিষদ’র উদ্যোগে না’গঞ্জে “মহুয়া খান কিশোরী স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্র” উদ্বোধন
    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে ডাকসুর সেমিনার
    তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় রেকর্ড বাজেট ঘোষণার সাহস পেয়েছি: নাসিক প্রশাসক
    পদত্যাগের দুদিন পর বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন