নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যমের সাহসী ভূমিকা, সত্য প্রকাশের সংগ্রাম এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহীদ হওয়া সাংবাদিকদের অবদান ও আত্মত্যাগ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আজ ৩১ জুলাই সকাল ১১টায় ডাকসু সম্মেলন কক্ষে “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও আমাদের শহিদ সাংবাদিকবৃন্দ” শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান। সঞ্চালনা করেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।
সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহিদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়ের শ্রদ্ধেয় জননী শামসী আরা জামান, সমকাল-এর সাংবাদিক রাজীব আহমেদ, বাংলাদেশ ফ্রি প্রেস ইনিশিয়েটিভের যুগ্ম আহ্বায়ক সিলমী সাদিয়া, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাব-এডিটর তাওসিফুল ইসলাম, দৈনিক আগামীর সময়-এর নিজস্ব প্রতিবেদক আমজাদ হোসেন হৃদয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো. মানজুর হোছাঈন মাহি, দৈনিক ইত্তেফাক-এর মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ ও মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এমআরএ) সভাপতি ফখরুল ইসলাম এবং প্রথম আলো-এর নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।
শহিদ জননী শামসী আরা জামান বলেন, তিনি তার সন্তান হত্যার বিচার চান এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য সরকারের নিকট আহ্বান জানান।
রাজীব আহম্মেদ বলেন, সংবাদমাধ্যম গুলোত জুলাইয়ের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ভুল এড্রেস করে রিকনসিলিয়েশন এর প্রয়োজন রয়েছে বক্তারা আরো বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সত্য তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা নানামুখী চাপ, হুমকি ও ঝুঁকির মুখেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেক সাংবাদিক আহত হয়েছেন, কেউ কেউ জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আলোচনায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, সংকটকালে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করার গুরুত্ব এবং শহিদ সাংবাদিকদের স্মৃতি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


