টুডে পোস্ট ২৪ডটকম: স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অন্যতম দোসর গডফাদার শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন, নৌকার চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে বিএনপিতে পূর্নবাসিত করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুরে ২টায় থানা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক এড. আব্দুল বারী ভূইয়া ও সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ মোল্লা জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের অবর্ণনীয় হামলা মামলা ও নির্যাতন সহ্য করে দলের নীতি আদর্শ বুকে ধারণ করে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করে এসেছি। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতন ঘটে। দুঃখজনক হলেও সত্যি হাসিনা সরকার হাসিনা ও তার অনেক দোসর ৫ আগস্ট রাতের অন্ধকারে পালিয়ে গেলেও তাদের অসংখ্য প্রেতাত্মা এখনো আমাদের সমাজে রয়ে গেছে।
বর্তমানে তারাই দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার ঘৃন্ন চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এদের মধ্যে আবার অনেকেই আছেন আওয়ামী লীগ মার্কা বিএনপি। বর্তমানে বিএনপির কিছুর নেতা নিজেদের বলয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা ও বিএনপি থেকে চলে যাওয়া ব্যক্তিদের বিএনপিতে পূর্নবাসিত করার চেষ্টা করছে।
তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু ও সহ-সভাপতি হাজ্বী শহিদুল্লাহ। তাদের বর্তমান কর্মকান্ডে এটা স্পষ্ট হয় যে তারা নৌকা নিয়ে নির্বাচন করা ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মনিরুল আলম সেন্টুকে বিএনপিতে পূর্ণবাসিত করার ঘৃন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, সম্প্রতি শহিদুল ইসলাম টিটু ও হাজী শহীদুল্লাহ কুতুবপুরে একটি অনুষ্ঠানে পৃথক বক্তব্যের মাধ্যমে সেন্টু কে বিএনপিতে পুনর্বাসিত করার প্রেক্ষাপট তৈরি করার জন্য চেষ্টা করেছেন যা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের শামিল। যেখানে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই বলে দিয়েছেন দল ত্যাগ করা এবং বহিষ্কৃত কোন ব্যক্তি ও অন্য কোন দল থেকে কাউকে দলে ভেড়ানো সম্পূর্ণ নিষেধ, সেখানে তারা দুজন সেই নির্দেশ অমান্য করে অমন বক্তব্য দেওয়ার ধৃষ্টতা কি করে দেখাতে পারে।
আমরা মনে করি গডফাদার শামীম ওসমানের প্রেসক্রিপশনে তারা সেদিন বক্তব্য রেখেছেন এবং শামীম ওসমানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে শহিদুল ইসলাম টিটু ও হাজী শহীদুল্লাহ নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাদেরকে আওয়ামী লীগ মার্কা বিএনপি বলেই মনে করছি। তাই তাই দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আমরা শহিদুল ইসলাম টিটু ও হাজী শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।


