নিহত পোশাক শ্রমিক সোহাগ তার স্ত্রী, কন্যাকে নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডা এলাকায় বাসবাস করতেন৷
আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানায়, নিহত সোহাগের শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল এবং তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগে গত রোববার তার স্ত্রী পোশাক শ্রমিক রূপালী ও শনিবার দেড় বছরের শিশু কন্যা সুমাইয়া ও রিকশাচালক মো. হান্নান (৪০) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান৷
প্রসঙ্গত, গত ৩ মার্চ সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে পাশাপাশি দুটি ঘরে জমে গ্যাস। এরপর গ্যাস বিস্ফোরণের আগুনে দু’টি পরিবারের মোট আটজন সদস্য দগ্ধ হন৷ এ ঘটনায় নিহত হান্নানের স্ত্রী পোশাক শ্রমিক নূরজাহান আক্তার লাকি (৩০), তাদের সন্তান জান্নাত (৩), সামিয়া (৯) ও সাব্বির (১৬) এখনও বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন৷


